Pages

Showing posts with label HEALTH. Show all posts
Showing posts with label HEALTH. Show all posts

Friday, September 12, 2014

ফরমালিন কি? এর ক্ষতিকর দিক এবং মুক্ত থাকার উপায় শিখে নিন

বর্তমান যুগে আমরা প্রায়শঃ ফরমালিনের কথা শুনি। এটা নিয়ে অনেক আতংকিত। কেউ জেনে আতংকিত, কেউ না জেনে আতংকিত। আজকে এ ফরমালিন বিষয়ে বিস্তারিত সবাইকে জানাবো। যারা অল্প জানেন কিংবা যারা কিছুই জানেননা, তাদের সবার জন্য পোস্টটি অনেক কাজে লাগবে আশা করি।

ফরমালিন কি?
ফর্মালিন (-CHO-)n হল ফর্মালডিহাইডের (CH2O) পলিমার। ফর্মালডিহাইড দেখতে সাদা পাউডারের মত। জলে সহজেই দ্রবনীয়। শতকরা ৩০-৪০ ভাগ ফর্মালিনের জলীয় দ্রবনকে ফর্মালিন হিসাবে ধরা হয়। ফর্মালিন সাধারনত টেক্সটাইল, প্লাষ্টিক, পেপার, রং, কনস্ট্রাকশন ও মৃতদেহ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। ফরমালিনে ফরমালডিহাইড ছাড়াও মিথানল থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লিভার বা যকৃতে মিথানল এনজাইমের উপস্থিতিতে প্রথমে ফরমালডিহাইড এবং পরে ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। দুটোই শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
ফরমালিনের ক্ষতিকর দিক:
ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনাকে আক্রান্ত করে রেটিনার কোষ ধ্বংস করে। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যেতে পারে।
তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কারবাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
ধীরে ধীরে এসব রাসায়নিক পদার্থ লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেন সব কিছুুকে ধ্বংস করে দেয়। লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্টকে দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করার ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হতে পারে। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি ব্লাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
মানবদেহে ফরমালিন ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন কমছে।
গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে, প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
এ ধরনের খাদ্য খেয়ে অনেকে আগের তুলনায় এখন কিডনি, লিভারের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগের সমস্যায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে, কয়েক দিন পরপর একই রোগী ডায়রিয়ায় ভুগছেন, পেটের পীড়া ভালো হচ্ছে না, চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
খাদ্যদ্রব্যে ফরমালিনের উপস্তিতি নানা পরীক্ষার মাধ্যমে করা যায় যেমন-

1) ফরমালডিহাইডের দ্রবণের সঙ্গে ২ সিসি ফিনাইল হাইড্রোজাইন হাইড্রোকোরাইড (১%) এবং ১ সিসি ৫% পটাসিয়াম ফেরিসায়ানাড দিয়ে তারপর ৫ সিসি ঘনীভূত হাইড্রোকোরিক অ্যাসিড মেশালে পুরো দ্রবণ গাঢ় গোলাপী রঙ হয়ে থাকে। একে বলা হয় সেরিভারস্ টেস্ট। 2) ফরমালডিহাইডের হালকা দ্রবণ যেমন মাছে ফরমালিন দেয়া আছে তা ধুয়ে তার জলে ১ সিসি সোডিয়াম নাইট্রোপ্রোসাইড মেশালে গাঢ় সবুজ নীল রঙ ধারণ করে। এতে ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিনের অস্তিত্ব প্রমাণ করে। এ সমস্ত কেমিক্যাল এবং রি-এজেন্ট পাওয়া খুব কঠিন এবং দামও অনেক বেশী। তাই সহজ এবং সাধারণ একটি পদ্ধতি বের করা যায়। যেমন সন্দেহযুক্ত ফরমালিন মাছ ধুয়ে জলে ৩% (ভলিউম) হাইড্রোজেন পারক্সাইড মেশালে ফরমালডিহাইড অক্সিডাইজড হয়ে ফরমিক অ্যাসিডে রূপান্তর হয়। ফরমিক এসিড প্রমাণের জন্য সে জলে অল্প মারকিউরিক কোরাইড মেশালে সাদা রঙের তলানি পড়বে। তাতেই প্রমাণ হবে ফরমিক অ্যাসিড তথা ফরমালডিহাইড তথা ফরমালিন। এখন কথা হচ্ছে খাদ্যদ্রব্যে ফরমালনিরে উপস্তিতি পরীক্ষার উপকরণগুলো সহজলভ্য নয় । আর সবচেয়ে বড় কথা, কেনার সময় যদি সাথে করে এসব নিয়ে যেতে হয় তাহলে হয়তো কেনাটাই ছেড়ে দিতে হবে।
কিভাবে মাছ থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন?
1) ফরমালিনবিহীন মাছের ফুলকা উজ্জ্বল লাল র্বণ , চোখ ও আঁশ উজ্জ্বল হয়,শরীরে আঁশটে গন্ধ পাওয়া যায়,মাছের দেহ নরম হয় ।অন্যদিকে ফরমালিনযুক্ত মাছের ফুলকা ধূসর, চোখ ঘোলাটে ও ফরমালনিরে গন্ধ পাওয়া যায় হয়, আঁশ তুলনামূলক ধূসর র্বণরে হয়, শরীরে আঁশটে গন্ধ কম পাওয়া যায়, দেহ তুলনামূলক শক্ত হয় । 2) পরীক্ষায় দেখা গেছে জলে প্রায় ১ ঘন্টা মাছ ভিজিয়ে রাখলে ফর্মালিনের মাত্রা শতকরা ৬১ ভাগ কমে যায়। 3) লবনাক্ত জলে ফর্মালিন দেওয়া মাছ ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ ফর্মালিনের মাত্রা কমে যায়। 4) প্রথমে চাল ধোয়া জলে ও পরে সাধারন জলে ফর্মালিন যুক্ত মাছ ধুলে শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ ফর্মালিন দূর হয়। 5) সবচাইতে ভাল পদ্ধতি হল ভিনেগার ও জলের মিশ্রনে (জলে ১০ % আয়তন অনুযায়ী) ১৫ মিনিট মাছ ভিজিয়ে রাখলে শতকরা প্রায় ১০০ ভাগ ফর্মালিনই দূর হয়।
কিভাবে ফল ও সবজি থেকে ফর্মালিনের দূর করবেন?
যে ধরনের রাসায়নিক দেয়া হোক না কেন যদি আমরা একটু সচেতন হই তাহলে ফল খাওয়া সম্ভব ।আমাদের যা করতে হবে তা হল- খাওয়ার আগে এক ঘণ্টা বা তার চেয়ে একটু বেশী সময় ফলগুলো জলে ডুবিয়ে রাখতে হবে। 2) লিচু কাঁচা অবস্থায় সবুজ। পাকার পর হয় ইটা লাল। এখন গাছে রাসায়নিক স্প্রে করে যার ফলে লিচু গাঁড় মেজেনটা রং ধারন করে তা বড়ই মনমুগ্ধকর। কিন্তু চকচক করলে সোনা হয় না সেটা মনে রেখে কখনোই গাঁড় মেজেনটা রঙ্গের লিচু কেনা যাবে না। 3) সবজি রান্না করার আগে গরম জলে লবণ মিশিয়ে ১০ মিনিট ডুবিয়ে রাখুন। 4) বেগুনে এক ধরনের রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার করা হয় । এই রাসায়নিক স্প্রে ব্যবহার ক্ষতিকর না যদি নিয়মানুসারে দেয়া হয়। কিন্তু আমাদের দেশের কৃষকেরা এ ব্যাপারে অজ্ঞ। তারা এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। প্রতিটি কীটনাশকের ক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা পর্যন্ত থাকে। যেমন- একটি কীটনাশকের সেলফ লাইফ বা জীবন সীমা ৭দিন, তার মানে কীটনাশকটা ব্যবহারের ৭দিন পর্যন্ত সক্রিয় থাকবে, যা কীটপতঙ্গের জন্য ক্ষতিকর। তাই কৃষকদের উচিত কীটনাশক ব্যবহারের অন্তত ৭দিন পর ফলন তোলা। কিন্তু তারা তা না করে ২-১ দিনের মাঝেই ফলন তোলেন। ফলে কীটনাশকের ক্রিয়া ক্ষমতা থেকে যায়, যার ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে আমাদের উপর। তাই বাজারে সতেজ, উজ্জ্বল বেগুন না কিনে কিছুটা অনুজ্জ্বল, পোকায় কিছুটা আক্রান্ত এমন বেগুন কেনাই ভালো। 

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট থেকে সংকলিত

Thursday, March 06, 2014

ধূমপান সম্বন্ধে জেনে নিন কয়েকটি অজানা বিষয়


আমরা অনেকেই জানি, ধূমপানের ফলে ক্যানসার ও হৃদরোগের মতো মারাত্মক রোগ হয়, যৌনক্ষমতা ও সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু এগুলোই সবকিছু নয়। ধূমপানের আরো কিছু বিষয় আছে, যা সাধারণ মানুষের জানা নেই। ধূমপানের এসব অজানা বিষয় নিয়েই এক্সপার্টদের মতামত প্রকাশ করেছে টাইমস অফ ইন্ডিয়া।


১. চুল পাতলা হবে ও উজ্জ্বলতা হারাবে
গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপানের ফলে আপনার চুলের অনেক ধরনের ক্ষতি হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রভাব দেখা যায় চুলের পুরুত্বে। ধূমপানের প্রভাবে শরীরের প্রয়োজনীয় উপাদান জিংক, ভিটামিন বি, ক্যারোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন সি কমে যাওয়ায় চুলে এর প্রভাব পড়ে।

Sunday, December 08, 2013

স্কুলে কেমন টিফিন চাই

স্কুলের টিফিন নিয়ে মায়েদের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। বেশির ভাগ শিশু সকালে তাড়াহুড়া করে স্কুলে যাওয়ার সময় তেমন কিছু খেতে পারে না। তাই টিফিনই মূলত তাদের দিনের প্রথম ভাগের মূল খাবার। এর পর দুপুর পর্যন্ত তারা না খেয়েই থাকে। তাই দৈনিক ক্যালরি চাহিদার এক-তৃতীয়াংশ আসা উচিত এই টিফিন থেকে।খাবারটি যথেষ্ট ক্যালরি সম্পন্ন হওয়া উচিত এবং অবশ্যই তাতে পরিমাণমতো আমিষ ও শর্করা থাকা উচিত। শর্করা ছোটাছুটি ও খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাবে, আমিষ বেড়ে ওঠার চাহিদা পূরণ করবে। এর সঙ্গে টিফিনে ভিটামিন ও খনিজ যুক্ত খাবারও যোগ করুন প্রতিদিন। এগুলো শিশুর ত্বক, হাড়, দাঁত গঠনে ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে।অতিরিক্ত তেল ও চর্বিজাতীয় খাবার, ফাস্ট ফুড বা জাংক ফুড, চকোলেট, আইসক্রিম

Wednesday, November 13, 2013

খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন (কমলালেবু)

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘সি’। যা শীতকালীন সর্দি, নাক বন্ধ হওয়া, টনসিল ফুলে যাওয়া, গলা ব্যথা, জ্বর জ্বর ভাব,হাঁচি, কাশি, মাথাব্যথা, ঠান্ডাজনিত দুর্বলতা এই সমস্যাগুলো দূর করে।সূর্যের রোদে ভিটামিন ‘ডি’ থাকে। তবে শীতের রোদের পরিমাণ বেশি হয়ে গেলে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি বা আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করে। কমলালেবু ত্বককে শক্তিশালী করে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে আমাদের বাঁচায়।দাঁত, চুল, ত্বক, নখের পুষ্টি জোগায় কমলালেবু। গবেষণা করে দেখা গেছে, যারা নিয়মিত এই ফল খায় তাদের দাঁতের ডেন্টাল ক্যারিজ (দাঁতের একধরনের অসুখ) হওয়ার আশঙ্কা থাকে খুবই কম। তবে শুধু কমলালেবু খেলেই

Tuesday, November 12, 2013

যে খাবারে মগজ খোলে

সত্যিই কি এমন কোনো খাবার আছে, যা মস্তিষ্কের জন্য ভালো? কীভাবে কাজ করে সেসব খাবার? এ ব্যাপারে গবেষণা হয়েছে অনেক। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, আপনার শরীরকে শক্তিশালী ও সুস্থ রাখার জন্য যেমন ভিটামিন ও মিনারেল প্রয়োজন, তেমনি মস্তিষ্ক ও স্নায়ুগুলোকেও সচল রাখার জন্য এসব খাবারের প্রয়োজন। গবেষকেরা তাই এসব খাবারের নাম দিয়েছেন

খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন ( আদা )

এই ঠান্ডায় আদা ভীষণ উপকারী। এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এজেন্ট, যা শরীরের রোগ-জীবাণুকে ধ্বংস করে। জ্বর জ্বর ভাব, গলাব্যথা ও মাথাব্যথা দূর করতে সাহায্য করে।বমি বমি ভাব দূর করতে এর ভূমিকা অপরিহার্য। তাই বমি বমি ভাব হলে কাঁচা আদা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে মুখের স্বাদ বৃদ্ধি পায়।অসটিও আর্থ্রাইটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস—এই অসুখগুলোয় সারা শরীরের প্রায় প্রতিটি হাড়ের জয়েন্টে প্রচুর ব্যথা হয়। এই ব্যথা দূর করে আদা। তবে রান্না করার চেয়ে

ক্যানসার প্রতিরোধে ১৩ খাদ্য

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, সব ধরনের ক্যানসারের সঙ্গেই খাদ্যের একটা যোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক কালে ১৭টি দেশের ১৭০টি গবেষণায় দেখা যায়, খাদ্যতালিকা একটু পাল্টে নিলেই ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক কমে। ক্যানসার প্রতিরোধী বিভিন্ন খাবার প্রতিদিন কিছু পরিমাণে গ্রহণ করলে ঝুঁকি অনেকাংশে কমবে। আসুন, জেনে নিই

Tuesday, October 29, 2013

ভিটামিন খেলে কি শক্তি বাড়বে?

ভিটামিন হলো খাদ্যের একটি অত্যাবশ্যকীয় জৈব রাসায়নিক উপাদান, যা শরীরের ভেতরে তৈরি হয় না এবং অবশ্যই খাবার থেকে গ্রহণ করতে হয়।আমাদের ধারণা, ভিটামিন শরীরে শক্তি জোগায়, ভিটামিন খেলে দুর্বলতা কমবে বা খারাপ স্বাস্থ্য ভালো হবে। আসলে ধারণাটা ঠিক নয়।ভিটামিন থেকে শরীরে সরাসরি কোনো শক্তি উৎপন্ন হয় না। তবে বিভিন্ন প্রকার খাদ্য, যেমন শর্করা, আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাবারের বিপাক-প্রক্রিয়ায় ভিটামিন অংশ নেয়। ফলে দেহে কোনো একটি ভিটামিনের অভাব হলে সেই নির্দিষ্ট উপাদানের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়।জৈব রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভিটামিনকে সাধারণত পানিতে ও চর্বিতে দ্রবণীয় এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।চর্বিতে দ্রবণীয় ভিটামিন হচ্ছে এ, ডি, ই, কে। পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন বি এবং সি।পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন শরীরে বেশি জমা থাকে না। ফলে কিছুদিন এই ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ না করলে দ্রুত এর অভাব দেখা দেয়। চর্বিজাতীয় ভিটামিন শরীরে বেশি দিন বেশি পরিমাণে জমা থাকে বলে কিছুদিন এটি খাবারে না গ্রহণ করলেও সহজে সমস্যা হয় না।
ভিটামিন এ-এর অভাবে রাতকানা
 ,

Monday, October 28, 2013

যা খেলে ওজন কমবে

বাড়তি ওজন শরীরের জন্য ভালো নয় মোটেই। সৌন্দর্য, স্বাস্থ্য—সবদিকেই বাড়তি ওজন বড় যন্ত্রণা। তাই বলে ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকাও যে কাজের কথা নয়। অনেকই ওজন কমাতে গিয়ে না খেয়ে থাকেন, কিংবা এতটাই কম খান যে সারা দিন চলার মতো শক্তিটুকু থাকে না। তাই খেতে হবে। তবে খাওয়াটা হবে হিসাব করে, পরিমাণমতো আর জেনে-বুঝে।
বারডেম জেনারেল হাসপাতালের জ্যেষ্ঠ পুষ্টি ও পথ্যবিদ শামুন্নাহার নাহিদ বলেন, ওজন কমাতে হলে খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে ঠিকই, তাই বলে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেওয়া যাবে না একেবারেই। খাওয়া ছাড়লে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাবে। তাই খেতে হবে নিয়ম করে।
যেসব খাবার নিয়ন্ত্রিতভাবে খেলে ওজন বাড়ে না, দেখে নেওয়া যাক সেগুলো:

Saturday, October 12, 2013

ভাজা মাংসে পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি

ক্যানসারের জন্য দায়ী বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানকে এককথায় কারসিনোজেন বলা হয়। আমাদের চারপাশের অনেক খাদ্যদ্রব্যই এই ক্ষতিকর কারসিনোজেনের আধার হিসেবে কাজ করে।1.উচ্চ তাপমাত্রায় দীর্ঘ সময় ধরে লাল মাংসকে ভাজা বা ঝলসানো হলে বা গ্রিল করা হলে মাংসের আমিষ ভেঙে হেটেরো সাইক্লিক অ্যামাইন (এইচসিএ) নামের রাসায়নিক তৈরি হয়। আবার ঝলসানো বা গ্রিল

Sunday, October 06, 2013

খান তবে…

ঈদে সব বাড়িতেই কম-বেশি মজার মজার রান্না হয়। শুধু নিজের বাড়িতে নয়, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের বাড়িতেও খেতে হয় নানা পদের খাবার। তবে এই আনন্দের মধ্যেও আমাদের একটু নজর দেওয়া দরকার, আমরা কী খাচ্ছি, কতটুকু খাচ্ছি। ঈদ হলেও খাবার খেতে হবে পরিমিত পরিমাণে, ক্যালরি মেপে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এম আখতারুজ্জামান বলেন, আনন্দের এই দিনে খাবারটা আসলে পরিমাণে বেশি খাওয়া হয়। এর চাপ পড়ে পেটের ওপর। অনেকেই একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণ তৈলাক্ত বা চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে তা হজম করতে পারেন না। ফলে পেট ফাঁপে, জ্বালাপোড়া করে, ব্যথা করে, বারবার পায়খানা হয়। যদিও সাধারণভাবে কোনো নির্দিষ্ট খাবার খেতে মানা নেই, কিন্তু পরিমাণ বজায় রাখাটা খুবই জরুরি। ভাজাপোড়া ও চর্বিজাতীয় খাবারের পাশাপাশি ফলমূল বা ফলের রসজাতীয় খাবার বেশি করে খাবেন। ঈদের দিনে খাবারের তালিকায়

সাদা সাদা আরও সাদা

আলসেমি-অবহেলায় দাঁতের বারোটা বেজে গেলে আমরা ছুটে যাই চিকিৎসকের কাছে। একটু সতর্ক হলেই কিন্তু দাঁতের যেকোনো ঝামেলা এড়ানো সম্ভব। আর ঝকঝকে সাদা দাঁত কে না চায়? দাঁত সাদা রাখার তেমনি কিছু টিপস জেনে নেওয়া যাক এখনই।


যাঁরা চা ও রঙিন কোমল পানীয় হরহামেশাই খাচ্ছেন, তাঁদের দাঁত ঝকঝকে সাদা হবে—এমনটা আশা না করাই ভালো। এ উপাদানগুলো একধরনের দাগ ফেলে দেয় দাঁতে। তাই যেসব খাবারে দাঁতে দাগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তা খাওয়ার পরেই চটজলদি দাঁত ব্রাশ করে ফেলতে হবে। নতুবা এই হালকা দাগই একসময় স্থায়ী হিসেবে বসে যাবে দাঁতে। চটজলদি দাঁত সাদা করতে

Monday, June 03, 2013

ধূমপান ছাড়তে পারছেন না?

ধূমপান ত্যাগের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো নিজের ইচ্ছাশক্তি। ধূমপান ছাড়ার জন্য নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে আপনি যতটা দৃঢ় থাকবেন, ততই সাফল্যের সম্ভাবনা বাড়বে। ধূমপান আপনার নিজের এবং কাছের মানুষটির বা আপনার শিশুসন্তানটির জন্য পরোক্ষভাবে কী ক্ষতি ডেকে আনছে তা জানুন। প্রয়োজনে কুফলগুলো নিজ হাতে কাগজে লিখে ফেলুন, কাগজটি সঙ্গে রাখুন এবং যখন ধূমপানের ইচ্ছা জাগবে, তখন কাগজটি বের করে

কোমরে ব্যথায় ১০ পরামর্শ

কোমরে ব্যথা নিরাময়ে যেমন ব্যায়াম জরুরি, তেমনি সতর্কতাও কাজে আসে।
১. নিচ থেকে বা মাটি থেকে কিছু তুলতে হলে না ঝুঁকে হাঁটু ভাঁজ করে বসুন ও তারপর তুলুন।
২. ঘাড়ে ভারী কিছু ওঠাবেন না। ভারী জিনিস শরীরের কাছাকছি রাখুন। পিঠে ভারী কিছু বহন করতে হলে সামনে ঝুঁকে বহন করুন।
৩. ৩০ মিনিটের বেশি একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকবেন না। হাঁটু না ভেঙে সামনের দিকে ঝুঁকবেন না। দীর্ঘ সময় হাঁটতে হলে উঁচু হিল পরবেন না। অনেকক্ষণ একনাগাড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হলে কিছুক্ষণ পর পর শরীরের ভর এক পা

Saturday, May 25, 2013

চুলে রঙিন ফুল

সাজের অনুষঙ্গ হিসেবে ফুলের জুড়ি নেই। তাজা ফুলের তুলনা তো শুধু সে নিজেই, তবে আজকাল কৃত্রিম ফুল ব্যবহারের চলও বেশ দেখা যাচ্ছে। চুল জেল দিয়ে বেঁধে বড় একটা কৃত্রিম ফুল গুঁজে দিলে বেশ জমকালো আমেজ পাওয়া যায় সাজে। আবার এই ফুলগুলো শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাওয়ারও ভয় নেই। রূপবিশেষজ্ঞ কানিজ আলমাস খান জানালেন, কীভাবে সাজবেন কৃত্রিম ফুল দিয়ে।দীর্ঘসময় সাজ ঠিক 

Monday, September 24, 2012

ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান ও কুশল


রতি সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে জলপান। খুব উপকারী। আজকাল জাপানে খুব জনপ্রিয় এ চর্চা। ভারতবর্ষে প্রাণায়ম ও যোগব্যায়ামে এটি অনুষঙ্গ হিসেবে আছে বহু বছর ধরে।
বিজ্ঞানীরাও গবেষণা করে এর হিতকরী দিক খুঁজে পেয়েছেন। মাথা ধরা, শরীর ব্যথা, হূদ্যন্ত্রের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, দ্রুত হূৎস্পন্দন, মৃগীরোগ, স্থূলতা, ব্রংকাইটিস, হাঁপানি, কিডনি ও প্রস্রাবের রোগ, বমি, গ্যাস্ট্রাইটিস, ডায়রিয়া, পাইলস, ডায়াবেটিস, কোষ্ঠবদ্ধতা, চোখের রোগ, নাক ও গলার রোগ ঋতুস্রাব সমস্যা— সবগুলোতে এই জলপান চর্চা বড় উপকারী।
জাপানে চিকিৎসা অঙ্গনে এ চিকিৎসা বহুল প্রচলিত।

কীভাবে করবেন?
**সকালে ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে ১৬০ মিলিলিটার চার গ্লাস পানি পান করুন। (৪:১৬০ মিলিমিটার পরিমাণ জল)
**এরপর দাঁত ব্রাশ করুন ও মুখ পরিচ্ছন্ন করুন। তবে ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কিছু খাবেন না।

**৪৫ মিনিট পর স্বাভাবিক খাওয়া-দাওয়া করুন।
**প্রাতঃরাশ, মধ্যাহ্নভোজন ও রাতের খাবারের ১৫ মিনিট পর দুই ঘণ্টা পর্যন্ত কোনো কিছু খাবেন না বা পান করবেন না।
**যাঁরা বৃদ্ধ ও দুর্বল এবং সকালে চার গ্লাস পানি পান করতে সমর্থ নন, তাঁরা প্রথমে কম জলপান করে ক্রমেই বাড়াতে বাড়াতে চার গ্লাস পর্যন্ত পানি পান করবেন।
**সুস্থ জীবনযাপনের বড় সহায় এই চর্চা।
যেসব রোগে এই জলপান চর্চা কয়েক দিন উপকারী তা-ও বলেছেন বিজ্ঞজনেরা।
ক. উচ্চরক্তচাপ (৩০ দিন), খ. গ্যাস্ট্রিক (১০ দিন) গ. ডায়াবেটিস (৩০ দিন), ঘ. কোষ্ঠ (১০ দিন) আর্থ্রাইটিস প্রথম সপ্তাহ তিন দিন, এরপর দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে প্রতিদিন। এই চিকিৎসার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। প্রথম দিকে একটু বেশি প্রস্রাব হতে পারে মাত্র। এই পানি পানকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ করে নিলে সর্বাঙ্গীণ কুশল হবে।
পানি পান করুন এবং থাকুন সক্রিয়, সজীব, সবল ও সুস্থ।
চীনা ও জাপানিরা খাবারের সঙ্গে পান করে গরম চা, ঠান্ডা পানি নয়।
হয়তো খাবার গ্রহণের সময় এই পানীয় গ্রহণের অভ্যাস আমাদের নিলে ভালো হয়।
খাওয়ার পর ঠান্ডা জলপান করলে খাওয়া তৈলাক্ত খাদ্যকে কঠিন করে ঠান্ডা জল। ধীরগতি করে পরিপাক ক্রিয়া। এই আঠালো খাদ্যমণ্ড যখন অম্লরসের সঙ্গে বিক্রিয়া করে, এটি ভেঙে যাবে এবং কঠিন খাদ্যের চেয়ে দ্রুত শোষিত হয় অন্ত্রে।
তবে এটি আস্তরণ ফেলে অন্ত্রে, চর্বিস্তর, ফল ভালো হয় না। বরং খাওয়ার পর হট স্যুপ বা কুসুম গরম জল পান ভালো।

অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরীর কলম থেকে
পরিচালক, ল্যাবরেটরি সার্ভিসেস, বারডেম হাসপাতাল, সাম্মানিক অধ্যাপক ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১২

খাবার ভালো রাখতে হলে ।


ঘরের বাইরে খাবার নেওয়ার সময় স্বাদ-গন্ধ অটুট রাখতে হলে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে।
০০ কখনই গরম খাবার বক্সে নেওয়া যাবে না, এতে খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।
০০ পোলাও, খিচুড়ি, ভাতণ্ডএসব খাবার নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই টিফিন বক্সে খাবার নিয়ে বেরোনোর আগে বাতাসে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে।
০০ যদি খাবার ঠাণ্ডা করার সময় না থাকে, তাহলে গন্তব্যে যাওয়ার পর খাবারের বক্সটাকে একটু খুলে রাখতে হবে, যাতে গরম ভাপ বের হয়ে যায়।
০০ কতক্ষণ সময়ের জন্য খাবার নেওয়া হচ্ছে, সে বিষয়টার ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাবার সংরণের পদ্ধতি নির্বাচন করতে হবে।
০০ কখনই টিসু পেপার দিয়ে খাবার মুড়িয়ে নেওয়া যাবে না, তাতে খাবারে আঠালো ভাব চলে আসে।
০০ চিকেন ফ্রাই, চিকেন রোলণ্ডএসব খাবার অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলে মুড়িয়ে নিলে খাবার নষ্ট হবে না।
০০ ভ্রমণে শুকনো খাবার নেওয়াটাই ভাল। শুকনো খাবার অনেকক্ষণ ভালো থাকে।
০০ কোল্ড পটে ঠাণ্ডা জাতীয় খাবার নিলে তা ঠাণ্ডা থাকবে।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, জুন ০৮, ২০১০

যারা বড়াখেতে ভালবাসেন ।


হেলেঞ্চার বড়া

উপকরণ: হেলেঞ্চা বা গিমা শাক কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, মসুর ডালবাটা ১ কাপ, হলুদ গুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচামরিচ কুচি ১ চা-চামচ, আদা ও রসুনবাটা ১ চা-চামচ, ডিম ১টি, বেকিং পাউডার সামান্য, লবণ স্বাদমতো, তেল ভাজার জন্য।
প্রণালি: তেল ছাড়া ওপরের সব উপকরণ দিয়ে মাখিয়ে একটি ঘন মিশ্রণ তৈরি করতে হবে। কড়াইয়ে তেল দিয়ে পছন্দ মতো বড়া তৈরি করে ডুবো তেলে ভেজে তুলতে হবে। গরম ভাতের সঙ্গে গরম বড়া পরিবেশন করা যায়।
শাহানা পারভীন
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, এপ্রিল ০৫, ২০১১

Thursday, September 20, 2012

জেনে নিন কোন খাবার কখন খাওয়া দরকার ।


জানি না কতটা ভাল হবে ভাল হক বা মন্দ হক আশা করি 
আপনাদের উপকারে আসবে পোস্টটি  খাবার সম্পর্কিত তবে এটা সম্পূর্ণ আমার কথা নয় কেননা, আমি কোন পুষ্টিবিদ বা  বিশেষজ্ঞ নই বিভিন্ন বই, পত্রিকা থেকে সংগ্রহ করা অনেকে ফল খেয়ে পানি খান, আবার কেউ রাতের বেলায় শাক খান না, কেউ ভারী খাবার খেয়ে

Saturday, August 25, 2012

বয়স হলে এড়িয়ে চলুন কিছু খাবার ।


বড় লেবু, মোসাম্বি বা এর রস ওষুধের সঙ্গে ক্রিয়া করতে পারে। গ্রেপফ্রুটে অথবা এসব লেবুতে যে পটাশিয়াম ও ভিটামিন সি আছে, তা বাদ দেওয়া যাবে না। কমলা ও লাইম থেকে তা আহরণ করুন।
ওষুধের ক্রিয়ার সঙ্গে খাবারের সম্পর্ক তো আছে। তাই চিকিৎসককে জিজ্ঞেস করে নিলে ভালো। উচ্চ রক্তচাপ, দুশ্চিন্তা বা অনিদ্রার ওষুধ খেলে এর সঙ্গে ক্রিয়া করতে পারে বড় লেবু বা মোসাম্বির মতো ফল।
 

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks
 
^ Back to Top